বিকাশ পার্সোনাল একাউন্ট লিমিট কত? বাড়লো বিকাশ লেনদেনের লিমিট

বিকাশ পার্সোনাল একাউন্ট লিমিট
বিকাশ পার্সোনাল একাউন্ট লিমিট

বিকাশ পার্সোনাল একাউন্ট লিমিট বাড়ানো হয়েছে সম্প্রতি। গ্রাহকদের লাইফ আরো সিম্পল করতে লিমিট বাড়লো বিকাশ লেনদেনের। এই পোষ্টে আমারা আপনাকে বিকাশ লেনদেনের নতুন দৈনিক ও মাসিক লিমিট সম্পর্কে জানাবো। 

বর্তমানে বাংলাদেশের জনপ্রিয় মোবাইল ব্যাংকিং সেবা সমূহের শীর্ষে অবস্থান করছে বিকাশ এবং বিকাশ প্রতিটি ঘরে ঘরে নিজেদের সেবা পৌঁছে দিয়েছে। জনপ্রিয় এই মোবাইল ব্যাংকিং সেবাটি ব্যবহার করতে হলে এর লিমিট সম্পর্কে অবশ্যই আপনাকে জেনে নেয়া উচিত।

কারণ আপনি যদি লিমিট সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জেনে না থাকেন তবে মাসের যেকোনো সময় আপনি আপনার একাউন্টের লিমিট শেষে প্রয়োজনীয় কাজে বিকাশ ব্যবহারে বিড়ম্বনার শিকার হতে পারেন।

কেননা প্রতি মাসের জন্য একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ ক্যাশ ইন, ক্যাশ আউট এবং সেন্ড মানি করার সুবিধা দিয়ে থাকে বিকাশ কর্তৃপক্ষ। বিকাশ পার্সোনাল একাউন্ট লিমিট সম্প্রতি বাড়ানো হয়েছে গ্রাহকদের চাহিদার কথা বিবেচনা করে। 

বাংলাদেশ ব্যাংক তাদের এক বিবৃতিতে বলেছে করোনাকালীন সময়ে বিকাশের মত আর্থিক মোবাইল ব্যাংকিং সেবা দেশের অর্থনীতিতে বিশেষ ভূমিকা রেখেছে, তাই  বাংলাদেশের মোবাইল ব্যাংকিং সেবা সমূহের লিমিট বাড়ানো হচ্ছে। 

বিকাশ লিমিট কি? 

মূলত বিকাশ পার্সোনাল একাউন্ট ব্যবহারকারীকে প্রতিমাসে কি পরিমান টাকা একটি একাউন্ট থেকে লেনদেন করতে পারবেন তা হচ্ছে বিকাশ লিমিট। 

বিকাশ লিমিট মূলত পাঁচটি ভাগে বিভক্ত। 

  1. বিকাশ এজেন্ট থেকে ক্যাশ আউট লিমিট।  
  2. পার্সোনাল বিকাশ অ্যাকাউন্টে টাকা আসার লিমিট।  
  3. পারসোনাল টু পারসোনাল বিকাশ সেন্ড মানি বা ট্রানস্ফার মানি লিমিট।
  4. বিকাশ থেকে মোবাইল রিচার্জ লিমিট। 
  5. বিকাশে ইন্টারন্যাশনাল রেমিটেন্স লিমিট। 

একজন সাধারন বিকাশ ব্যবহারকারীরা মূলত বিকাশ লিমিট গুলো সম্পর্কে প্রথমত জানেনা।

তবে ধীরে ধীরে গ্রাহকদের বিকাশ একাউন্ট ব্যবহার বাড়ার সাথে সাথে তারা এই লিমিট গুলো সম্পর্কে জানতে চান এবং নিজেদের প্রয়োজনীয় সময়ে বিকাশ ব্যবহার করার জন্য সচেতন থাকেন। 

মূলত বিকাশ মোবাইল ব্যাংকিং সেবায় দৈনিক এবং মাসিক লিমিট পদ্ধতি বিদ্যমান।  এক্ষেত্রে আপনার জানা জরুরী যে আপনি মাসে কত টাকা এবং দৈনিক কত টাকা বিকাশে লেনদেন করতে পারবেন।

কি পরিমান টাকা আপনার বিকাশে প্রতিদিন আসতে পারবে এবং কী পরিমান টাকা আপনার বিকাশ থেকে বের করতে পারবেন এই বিষয়গুলো জানা অত্যন্ত জরুরী। 

মূলত এই বিষয়গুলো বিকাশ কর্তৃপক্ষ প্রথম থেকেই তাদের গ্রাহকদের জন্য সেট করে রেখেছে যাকে বিকাশ লিমিট বলা হয়।

বিকাশ পার্সোনাল একাউন্ট লিমিট কখনোই একজন সাধারণ গ্রাহক অতিক্রম করতে পারবেন না।  তাই আপনাকে বিকাশ একাউন্ট লিমিট সম্পর্কে জেনে রাখা উচিত। 

বিকাশ পার্সোনাল একাউন্ট লিমিট কত? 

এখন আপনার মনে প্রশ্ন আসতে পারে বিকাশ পার্সোনাল একাউন্ট এর লিমিট কত। একটি পার্সোনাল একাউন্টে বিকাশ থেকে প্রতিমাসে ক্যাশ আউট এবং সেন্ড মানি মিলিয়ে আপনি প্রায় 2 লক্ষ 25 হাজার টাকার মতো লেনদেন করতে পারবেন। 

এক্ষেত্রে 75 হাজার টাকা সেন্ড মানি এর মাধ্যমে এবং দেড় লক্ষ টাকা বিকাশ ক্যাশ আউট পদ্ধতি ব্যবহার করে বের করতে পারবেন। 

এছাড়াও আপনার একাউন্টে আরো কিছু সার্ভিস রয়েছে যে সার্ভিস গুলো ব্যাবহার করতে পারবেন আপনি।  যেখানে মোবাইল রিচার্জ, মানিট্রান্সফার, টেবিল সহ অন্যান্য সেবা রয়েছে।

চলুন দেখে নেয়া যাক কোন সার্ভিস ব্যবহার করে আপনি কত টাকা বিকাশ পার্সোনাল একাউন্ট থেকে ব্যবহার করতে পারবেন। 

বিকাশ পার্সোনাল একাউন্টের দৈনিক লিমিট

বিকাশ পার্সোনাল একাউন্টের দৈনিক লিমিট
বিকাশ পার্সোনাল একাউন্টের দৈনিক লিমিট
  • দিনের সর্বোচ্চ ৫ বারে সর্বোচ্চ ৩০,০০০ টাকা ক্যাশ ইন এর মাধ্যমে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করতে পারবে।
  • প্রতিদিন আপনি সেন্ড মানি এবং ট্রান্সফরমারের মাধ্যমে 25 হাজার টাকা পর্যন্ত আপনার একাউন্ট থেকে পাঠাতে বা উত্তোলন করতে পারবেন ( সর্বোচ্চ 50 বার)।  
  • আপনার একাউন্টে পর্যাপ্ত পরিমাণ টাকা থাকলে আপনি যে কোন পরিমাণ টাকা পেমেন্ট করতে পারেন, কোন ধরনের বাধ্যবাধকতা নেই বিকাশ অ্যাকাউন্ট থেকে পেমেন্ট করার ক্ষেত্রে। 
  • আপনি আপনার বিকাশ পার্সোনাল নাম্বার থেকে প্রতিদিন 10 হাজার টাকা পর্যন্ত মোবাইল রিচার্জ করতে পারবেন (সর্বোচ্চ 50 বার)। 
  • প্রতিদিন আপনার বিকাশ একাউন্ট থেকে ক্যাশ আউট এর মাধ্যমে সর্বোচ্চ ৫ বারে সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত উত্তোলন করা সম্ভব। 
  • বিকাশ দৈনিক রেমিট্যান্স (বিদেশ থেকে টাকা) আশার লিমিট 1 লক্ষ 25 হাজার টাকা পর্যন্ত ( সর্বোচ্চ 10 বার)।

আশা করি আপনি আপনার বিকাশ পার্সোনাল একাউন্ট দৈনিক লিমিট সম্পর্কে জানতে পেরেছেন।

তবে আপনি বিকাশ পার্সোনাল একাউন্ট এর দৈনিক লিমিট দেখে খুব বেশি উৎসাহিত হবেন না।  

কেননা বিকাশের দৈনিক লিমিট এবং মাসিক লিমিটেডকে একত্রিত করলে আপনি বিষয়টা আরো বেশি পরিষ্কার হতে পারবেন যে কিভাবে আপনাকে বিকাশ লিমিট গুলো সম্পর্কে জেনে বিকাশ একাউন্ট ব্যবহার করা উচিত। 

দৈনিক লিমিটেড সাথে মাসিক লিমিট তুলনা করলে দেখা যাবে যে বিশাল অঙ্কের টাকা আপনি আপনার বিকাশ পার্সোনাল একাউন্ট থেকে বের করতে পারতেছেন মূলত এমনটা নয় আপনি আপনার বিকাশ একাউন্টের লিমিট মাত্র পাঁচ দিনে শেষ করতে পারেন তাই আপনাকে ভেবেচিন্তেই বিকাশ একাউন্ট ব্যবহার করতে হবে। 

আরও পড়ুনঃ

এজেন্ট ব্যাংকিং কি

বিকাশ এজেন্ট ব্যবসা লাভ সুবিধা কমিশন

 বিকাশ পার্সোনাল একাউন্টের মাসিক লিমিট কত? 

একটি বিকাশ পার্সোনাল একাউন্টের মাসিক লিমিট কত
একটি বিকাশ পার্সোনাল একাউন্টের মাসিক লিমিট কত
  • মাসে সর্বোচ্চ ২৫ বারে সর্বোচ্চ ২,০০০০০ টাকা ক্যাশ ইন এর মাধ্যমে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করতে পারবে।
  • মাসে আপনি সেন্ড মানি এবং ট্রান্সফরমারের মাধ্যমে বিকাশ থেকে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আপনার একাউন্ট থেকে পাঠাতে বা উত্তোলন করতে পারবেন ( সর্বোচ্চ ১০0 বার)।  
  • আপনার একাউন্টে পর্যাপ্ত পরিমাণ টাকা থাকলে আপনি মাসে যে কোন পরিমাণ টাকা পেমেন্ট করতে পারেন, কোন ধরনের বাধ্যবাধকতা নেই বিকাশ অ্যাকাউন্ট থেকে পেমেন্ট করার ক্ষেত্রে। 
  • নিজ বিকাশ পার্সোনাল নাম্বার থেকে গ্রাহক মাসে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত মোবাইল রিচার্জ করতে পারবেন (সর্বোচ্চ 50 বার)। 
  • প্রতি মাসে পে বিল করার ক্ষেত্রে কোন ধরনের লিমিট নেই বিকাশের। আপনই যত খুশি পে বিল করতে পারেন।  
  • প্রতি মাসে গ্রাহক বিকাশ একাউন্ট থেকে ক্যাশ আউটের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ২০ বারে সর্বোচ্চ ১ লক্ষ্য ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত উত্তোলন করতে পারবেন। 
  • বিকাশে মাসে বৈদেশিক রেমিট্যান্স (বিদেশ থেকে টাকা) আশার লিমিট ৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ( সর্বোচ্চ ৫০ বার)।

এটি হলো বিকাশ থেকে সর্বশেষ প্রকাশিত বিকাশ পার্সোনাল একাউন্ট এর লিমিট বিস্তারিত। 

তাই আপনার উচিত আপনার কি পরিমাণ ব্যবহার রয়েছে তার উপর ভিত্তি করে বিকাশ একাউন্টে ব্যবহার করা।

যদি আপনার বিকাশ একাউন্ট থেকে আপনি বেশি টাকা লেনদেন করেন তবে আপনার উচিত হবে ছোট ছোট লেনদেনগুলোকে পরিহার করা।

আপনি বড় ট্রানজেকশন করবেন তবে আপনি সর্বোচ্চ সুবিধা নিতে পারবেন বিকাশ পার্সোনাল একাউন্ট এর লিমিট থাকে।

কিভাবে বিকাশ পার্সোনাল একাউন্ট লিমিট পরীক্ষা করবেন?

বিকাশ লিমিট চেক করবো কিভেব
বিকাশ লিমিট চেক করবো কিভেব

বিকাশ পার্সোনাল একাউন্ট লিমিট পরীক্ষা করার জন্য আপনার কাছে একটি অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন থাকা জরুরি। 

কেননা বিকাশ অ্যাপস ব্যাবহারেই আপনি বিকাশ পার্সোনাল একাউন্ট লিমিট পরীক্ষা করতে পারবেন। 

  • এজন্য প্রথমে আপনাকে গুগল প্লে স্টোর থেকে বিকাশ পার্সোনাল অ্যাপটি ইনস্টল ও ডাউনলোড করতে হবে।
  • তারপর আপনার নাম্বার প্রদান করার মাধ্যমে বিকাশে সফলভাবে লগইন করুন।
  • লগিন পরবর্তী বিকাশ অ্যাপের টপ রাইট কর্নারে বিকাশের লোগো দেখতে পাবেন।
  • বিকাশ লোগো তে ক্লিক করলে আপনার কাছে বিকাশ মেনু চলে আসবে।
  • উক্ত বিকাশ মেনুতে তৃতীয় অবস্থানে বিকাশ লিমিট অপশনটিতে ক্লিক করে সহজেই আপনি আপনার বিকাশ একাউন্টের লিমিট সম্পর্কে জানতে পারবেন।

বিকাশের লিমিট ঠিক রাখতে করণীয়ঃ-

  • ছোট ছোট ক্যাশ আউট করা থেকে বিরত থাকুন।
  •  ছোট ছোট সেন্ড মানি করা থেকেও বিরত থাকা জরুরি।
  •  বিকাশ বর্তমানে সেন্ড মানি চার্জ প্রযোজ্য। 
  •  বিকাশ সেন্ড মানি চার্জ 5 টাকা থেকে শুরু হয়ে সর্বোচ্চ 10 টাকা পর্যন্ত।
  •  আপনি 50 টাকা সেন্ড মানি করুন বা 10000 টাকা উভয় ক্ষেত্রেই আপনার কাছ থেকে বিকাশ কর্তৃপক্ষ 10 টাকা সেন্ড মানি চার্জ করবে। 
  • তাই আপনার উচিত বিকাশ ব্যবহারে নিজের টাকা সাশ্রয় করতে ছোট ছোট লেনদেনগুলো করার আগে একটু ভেবেচিন্তে করা।

বিকাশ পার্সোনাল থেকে পার্সোনালে নাম্বারে টাকা পাঠানোর নিয়ম কি?

আপনি যদি আপনার নিজ বিকাশ নাম্বার থেকে অন্য আরেকটি বিকাশ নাম্বারে টাকা সেন্ড করতে চান তবে তা করতে পারেন। 

  • নিজ বিকাশ একাউন্ট থেকে অন্য বিকাশ পার্সোনাল নাম্বারে টাকা পাঠানোর নিয়ম হচ্ছে প্রথমে বিকাশ ডায়াল কোড *২৪৭# ডায়াল করতে হবে।
  • তারপর আপনার সামনে বিকাশের মোবাইল মেন্যু চলে আসবে মেনু থেকে এক নম্বরে থাকা সেন্ড মানি (1. Send Money) অপশনটি নির্বাচন করুন।
  • তারপর ইন্টার বিকাশ নাম্বার ফিল্ডে আপনার কাংখিত নাম্বারটি লিখুন এবং সেন্ড বাটনে ক্লিক করুন।
  • এখন আপনি আপনি যে পরিমাণ টাকা সেন্ড করতে চাচ্ছেন তার পরিমাণ লিখুন এবং সেন্ড বাটনে ক্লিক করুন।
  • এই পর্যায়ে আপনি রেফারেন্স নাম্বার লিখুন। রেফারেন্স নাম্বার মূলত নাম অথবা যে কোন সংখ্যা হতে পারে। যেমন ১১২২, ১২৩, আমিন, কলাম ইত্যাদি। প্রথমত এটাকে গোপন কোড হিসেবে ব্যবহার করা হলেও বর্তমানে এটা নামমাত্র ব্যবহার হচ্ছে। 
  • এই পর্যায়ে আপনার মোবাইল স্ক্রিনে আপনার প্রদান করা তথ্যগুলো চলে আসবে ( নম্বর, টাকার পরিমান, রেফারেন্সে ) তথ্যগুলো মিলিয়ে নিন 
  • তারপর আপনার পিনকোড প্রদান করার মাধ্যমে বিকাশ লেনদেন সম্পন্ন করুন।

মনে রাখবেন আপনি যদি আপনার মোবাইলে ঠিক যে পরিমাণ টাকা রয়েছে ওই পরিমাণ টাকা সেন্ড মানি করেন তবে তা সম্ভব নয়। 

কেননা বিকাশ সেন্ড মানি চার্জ প্রযোজ্য বর্তমানে।

প্রতিমাসে প্রথম 25 হাজার টাকা পর্যন্ত সেন্ড মানি করতে বিকাশ 5 টাকা সেন্ড মানি চার্জ করে থাকে।

আপনার লেনদেন 25000 টাকার ঊর্ধে হলে সেন্ড মানি চার্জ 10 টাকা। 

সেন্ড মানি করতে সেন্ড মানি চার্জ প্রযোজ্য বলে আপনি প্রথমে আপনার একাউন্ট চেক করে নিবেন।

আরও পড়ুনঃ

বিকাশ এজেন্ট একাউন্ট খোলার নিয়ম

বিকাশ একাউন্ট বন্ধ করার নিয়ম

 Bkash To Bank Transfer Systemবিকাশ থেকে ব্যাংকে টাকা ট্রান্সফার

বিকশ লিমিট সম্পর্কে প্রশ্ন ও উত্তর

পার্সোনাল বিকাশ দিয়ে ব্যবসা?

বিকাশ পার্সোনাল দিয়ে ব্যবসা করা দন্ডনীয় অপরাধ।  বিকাশ কর্তৃপক্ষ এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম অনুসারে আপনি যদি বিকাশ ব্যবসা পরিচালনা করতে চান, তবে আপনাকে বিকাশ এজেন্ট নিতে হবে।

বিকাশ পার্সোনাল নাম্বারে টাকা পাঠানোর নিয়ম?

একটি বিকাশ পার্সোনাল নাম্বারে টাকা সেন্ড করার জন্য আপনি বিকাশ এজেন্ট থেকে ক্যাশ ইন অথবা সেন্ড মানি যেকোনো একটি পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন। বিকাশ এজেন্ট থেকে বিকাশ পার্সোনাল নাম্বারে টাকা পাঠানোর জন্য বিকাশ এজেন্ট কে আপনি যে পরিমাণ টাকা প্রদান করবেন আপনাকে ঠিক ওই পরিমাণ টাকা আপনার বিকাশ একাউন্টে পাঠিয়ে বা ক্যাশ ইন করে দিবে।

বিকাশে সর্বনিম্ন কত টাকা সেন্ড মানি করা যায়?

বিকাশে সর্বনিম্ন ৫০ টাকা পর্যন্ত সেন্ড মানি করা যায়।

উপসংহার, 

আশাকরি, বিকাশ পার্সোনাল একাউন্ট লিমিট সম্পর্কে আপনার জানার খুব বেশি বাকি রইল না। 

বাংলাদেশের জনপ্রিয় মোবাইল ব্যাংকিং সেবা সমূহের অন্যান্য সার্ভিস সম্পর্কে জানতে আপনি আমাদের কমেন্ট করে জানান।

সেইসাথে টেলিকম অফার সম্পর্কে সঠিক আপডেট পেতে জয়েন করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।