নতুন জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন করার নিয়ম ও ডাউনলোড ২০২২

নতুন জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন করার নিয়ম
নতুন জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন করার নিয়ম

নতুন জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন করার নিয়ম সম্পর্কে আজকে আপনাদের জানাবো। আপনি যদি আপনার শিশু বা অন্য কারো জন্য নতুন জন্ম নিবন্ধন করতে চান, এই পোস্টটি আপনার জন্য। কারণ অনলাইনে নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদন ফরম পূরণ করতে সমস্যায় পরেন।

আবার অনেকে জানেন না নতুন জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন করতে কি কি লাগবে এবং নির্ভুলভাবে অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন ফরম পূরণ করার নিয়ম ও কিভাবে ঘরে বসে জন্ম সনদের জন্য আবেদন করবেন তা ছবিসহ বিস্তারিত দেখে নিন।

বর্তমানে পূর্বের ন্যায় হাতে লেখা জন্ম নিবন্ধন ফরম পূরণ করে আর আবেদন করা যায়না। আপনাকে অবশ্যই নতুন জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন করতে আপনার এলাকার উনিয়ন পরিশদে যেতে হবে অথবা অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন ফরম পূরন করতে হবে।

পোস্ট সামারি show

জন্ম নিবন্ধন কি? 

বাংলাদেশের আইন অনুসারে জন্ম নিবন্ধন হলো জন্ম নিবন্ধন আইন, ২০০৪ (২০০৪ সনের ২৯ নং আইন) এর আওতায় একজন মানুষের নাম, লিঙ্গ, জন্মের তারিখ ও স্থান, বাবা-মায়ের নাম, তাদের জাতীয়তা এবং স্থায়ী ঠিকানা সরকার নির্ধারিত নিয়মে নিবন্ধক কর্তৃক রেজিস্টারের লেখা বা কম্পিউটারে এন্ট্রি প্রদান করা সনদকে জন্ম নিবন্ধন বলা হয়।

নতুন জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন করার নিয়ম ২০২২ 

বাংলাদেশ সরকারের জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন ২০০৪ অনুসারে শিশু জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে জন্ম নিবন্ধন করা বাধ্যতামূলক।

কোন অসুবিধার কারণে নাগরিকেরা ৪৫ দিনের মধ্যে জন্ম নিবন্ধন সনদ তৈরি করতে না পারলেও, সরকার জনগনের সুবিধার্থে শিশুর জন্মের ৫ বছরের মধ্যে অবশ্যই জন্ম নিবন্ধন করার বিধান রেখেছে।

অন্যথায়, ৫ বছর বয়স অতিক্রান্ত হলে জন্ম নিবন্ধন করতে অনেক অতিরিক্ত ডকুমেন্ট/ কাগজপত্র প্রয়োজন হয় এবং সেই সাথে যুক্ত হয় অতিরিক্ত ঝামেলা ও নিবন্ধন ফি তো থাকছেই।

কিভাবে নতুন জন্ম সনদের জন্য আবেদন করবেন 

বর্তমানে নতুন জন্ম নিবন্ধনের আবেদন করার নিয়ম অনেক সহজ পূর্বের যে কোন সময়ের তুলনায়। এখন ঘরে বসে বাংলাদেশের নাগরিকেরা জন্ম নিবন্ধন সংশোধন ও অনলাইনে জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন করতে পারেন। 

 জন্য সরকার জনগণকে বিশেষ সহায়তা উদ্দেশ্যে ডিজিটাল সেবার আওতায় অনলাইনে জন্ম নিবন্ধনের জন্য একটি ওয়েবসাইট  চালু করেছে। 

অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন আবেদন ফরম পূরণ করার নিয়ম 

জন্ম নিবন্ধন তৈরি করতে চাইলে আপনি দুইটি পদ্ধতি যেকোনো একটি ব্যবহার করতে পারেন। এ

কটি হচ্ছে আপনার নিকটস্থ ইউনিয়ন পরিষদ সিটি কর্পোরেশন বা উপজেলা অফিসে আপনার কাগজপত্র জমা প্রদানের মাধ্যমে শিশুর জন্ম নিবন্ধন তৈরি করতে পারেন।

এছাড়াও আপনি যদি চিন্তা করে থাকেন যে আপনি ঘরে বসেই আপনার শিশুর জন্ম নিবন্ধন তৈরি করবেন তবে আপনার জন্য রয়েছে অনলাইন পদ্ধতি। 

এই পদ্ধতিতে আপনার ডকুমেন্টস গুলো স্ক্যান করে বাংলাদেশ সরকার প্রদত্ত অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে তথ্য-প্রমাণসহ ডকুমেন্টস দেয়া জরুরী।

এছাড়াও যারা দেশের বাইরে থেকে নিজ শিশুর জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন করতে চান তাদের জন্য অপশন চালু রেখেছে https://bdris.gov.bd/.

চলুন দেখে নেই নতুন জন্ম নিবন্ধনের আবেদন করার নিয়ম সম্পর্কে-

অনলাইনে নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদনের জন্য পূর্বের ওয়েবসাইট পরিবর্তন করে নতুন ওয়েবসাইট চালু করা হয়েছে। বর্তমানে জন্ম নিবন্ধন নতুন লিংক হচ্ছে – https://bdris.gov.bd/

জন্ম নিবন্ধন আবেদন করার জন্য নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন।

প্রথম ধাপঃ নতুন জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন করতে নতুন লিংক হচ্ছে – https://bdris.gov.bd/

নতুন জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন করার নিয়ম ও ডাউনলোড
নতুন জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন করার নিয়ম ও ডাউনলোড

সরাসরি নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদন করার নিয়ম সম্পর্কিত লিংক পেতে এখানে ক্লিক করুন। https://bdris.gov.bd/br/application

লিংকে ক্লিক করলেই আপনি এই পেজে চলে যাবেন এবং নিম্নোক্ত নিয়মাবলী লেখা রয়েছে এই পেজে- 

  • নিবন্ধক কার্যালয়ের জন্য আপনার জন্ম স্থান বা স্থায়ী ঠিকানার বিভাগ, জেলা, প্রভৃতি ধাপ পার হয়ে ওয়ার্ড পর্যন্ত নির্বাচন করতে হবে। 
  • অনলাইন জন্ম নিবন্ধনের আবেদন ফরম প্রথমে বাংলায় (ইউনিকোড) ও পরবর্তীতে ইংরেজিতে পূরণের পর প্রয়োজনীয় সম্পাদনা করে সংরক্ষণ বাটনে ক্লিক করুন। 
  • সংরক্ষণ বাটনে ক্লিক করলেই আবেদন পত্রটি সংশ্লিষ্ট নিবন্ধক কার্যালয়ে স্থানান্তিরত হয়ে যাবে, আবেদনকারীর আর কোন সংশোধনের সুযোগ থাকবে না।
  • অতঃপর পরবর্তী ধাপে প্রিন্ট বাটনে ক্লিক করলে আবেদন পত্রের মুদ্রিত কপি পাবেন। 
  • সনদের জন্য ১৫ দিনের মধ্যে উক্ত আবেদন পত্রে নির্দেশিত প্রত্যয়ন সংগ্রহ করে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্রের সত্যায়িত কপিসহ নিবন্ধক অফিসে যোগাযোগ করুন।

দ্বিতীয় ধাপ# জন্ম নিবন্ধন প্রত্যাশীর জন্ম সনদ প্রাপ্তির ঠিকানা নির্বাচন

আপনি যদি অনলাইনে নতুন জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেন তবে জন্ম নিবন্ধন সনদ আপনার কোন ঠিকানার অফিস থেকে সংগ্রহ করতে চান তা নির্বাচন করুন। 

ধাপ #৪ নিবন্ধনাধীন ব্যক্তির পরিচিতি ও জন্মস্থানের ঠিকানা 

নতুন জন্ম নিবন্ধন অনলাইন করার নিয়ম
নতুন জন্ম নিবন্ধন অনলাইন করার নিয়ম

এখন আপনাকে নিবন্ধন প্রত্যাশীর (নিবন্ধনাধীন ব্যক্তির পরিচিতি) ঠিকানা, নাম, পরিচিতি ফরমটি পূরণ করতে হবে।  

  • যে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশন থেকে জন্ম নিবন্ধন করতে চান তা নির্বাচন করুন। 
  • নামের ২ টি অংশ থাকলে ১ম অংশটি নামের প্রথম অংশের ঘরে লিখবেন ও ২য় অংশটি নামের শেষের অংশে লিখবেন। যেমন আমার না আমিনুল ইসলাম। প্রথম অংশে আমিনুল এবং দ্বিতীয় অংশে ইসলাম শব্দটি লিখতে হবে। 
  • যদি নামের ৩টি অংশ থাকে ১ম ২টি অংশ নামের প্রথম অংশে লিখবেন এবং শেষ অংশটি নামের শেষের অংশের ঘরে লিখবেন।
  • যদি নাম ১ শব্দে হয় অর্থাৎ নামের অংশ ১টি হয়, এক্ষেত্রে প্রথম অংশ খালি থাকবে। শুধুমাত্র নামের শেষ অংশে নাম লিখবেন।
  • একই ভাবে নিবন্ধনাধীন ব্যক্তির নাম ইংরেজিতেও পূরণ করবেন। এছাড়া, অন্যান্য তথ্যসমূহ ও জন্মস্থানের ঠিকানা সঠিকভাবে পূরণ করুন।
  • সবশেষে ডান পাশের পরবর্তী বাটনে ক্লিক করুন। 

আরও পড়ুনঃ

ধাপ #৪: পিতা ও মাতার তথ্য

এখন নিবন্ধনাধীন শিশুর পরিচিতি স্বরূপ তার বাবা-মায়ের ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন পরিচয় পত্র নম্বর প্রদান করতে হবে। 

পিতা-মাতার ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন নম্বর এখানে প্রধান করলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে তাদের নামসমূহ চলে আসবে এগুলোকে আপনি পরিবর্তন করতে পারবেন না।

এজন্য পিতা-মাতার জন্ম নিবন্ধন প্রথম থেকেই অনলাই জন্ম নিবন্ধন হওয়া জরুরী।

তবে যদি শিশুর বাবা মায়ের জন্ম নিবন্ধন ডিজিটাল করা না থাকে তবে শিশুর জন্য কোন জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন করা যাবে না। 

এক্ষেত্রে প্রথমে বাবা-মাকে ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন তৈরি করতে হবে। 

কিভাবে জন্ম নিবন্ধন যাচাই করবেন দেখুন

তবে, নিবন্ধনাধীন ব্যক্তির জন্ম তারিখ ২০০০ সাল বা তার পূর্বে হলে, পিতা-মাতার নাম লিখে দিতে পারবেন এবং পিতা-মাতার জন্ম নিবন্ধন নম্বর না থাকলেও চলবে।

তথ্যগুলি সঠিক ভাবে পূরণ করা হলে পরবর্তী বাটনে ক্লিক করুন।

ধাপ #৫: স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা

এসে এভাবে অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন সনদ আবেদনকারীকে বর্তমান ঠিকানা ও স্থায়ী ঠিকানা প্রদান করতে হবে।  

এখান থেকে, কোনটিই নয় বাটনে ক্লিক করুন। এরপর আপনি ঠিকানা দেওয়ার অপশন পাবেন।

স্থায়ী ঠিকানার ক্ষেত্রে, জন্মস্থান ও স্থায়ী ঠিকানা একই হলে চেক বক্সে টিক দিন (লাল বক্সে চিহ্নিত)।

এছাড়া বর্তমান ঠিকানার ক্ষেত্রেও স্থায়ী ঠিকানা ও বর্তমান ঠিকানা একই হলে (লাল বক্সে চিহ্নিত) চেক বক্সে টিক দিন।

অন্যথায়, নতুন ঠিকানা লিখে দিন এবং যেখানে আপনাকে গ্রাম, বাসা ও সড়ক নম্বর লিখে দিতে হবে। এরপর পরবর্তী বাটনে ক্লিক করুন।

ধাপ #৫: নিবন্ধন আবেদনকারীর তথ্য 

এ ধাপে যিনি এই জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন করছেন, তার তথ্য দিতে হবে। সাধারণত একটি শিশুর জন্ম নিবন্ধনের জন্য দায়ী ব্যক্তি হচ্ছেন পিতা-মাতা, পিতামহ, পিতামহী, মাতামহ, মাতামহী বা আইনগত অভিভাবক গন। মূলত, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে শিশুর নতুন জন্ম নিবন্ধনের আবেদন তারাই করে থাকেন।

তাছাড়া আপনি নিজেও নিজের জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন করতে পারেন। যদি নিজে আবেদন করেন, তবে নিজ সিলেক্ট করুন। 

অথবা, পিতা, মাতা, পিতামহ, পিতামহী ইত্যাদি সিলেক্ট করবেন।

সবকিছু ঠিক থাকলে ডান পাশের পরবর্তী বাটনে ক্লিক করুন এবং আবেদনটি সম্পন্ন করুন।

ধাপ #৬: নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদন ডাউনলোড বা প্রিন্ট পদ্দতি 

সফলভাবে নতুন জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন ফরমটি পূরণ করা হলে আপনি জন্ম নিবন্ধন আবেদন ডাউনলোড বা প্রিন্ট করার অপশন পাবেন।

নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদন প্রিন্ট করে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ/ পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশন অফিসে জমা দিতে হবে।

আবেদন প্রিন্ট করার সময় খেয়াল করবেন, প্রিন্টে যেন Headers and Footers information গুলো দেখা যায়।

কারণ এই অংশে আপনার আবেদনের Application ID থাকবে। এছাড়া নতুন জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন Application ID আর কোথাও দেখা যায় না। 

যেহেতু Application ID ছাড়া আপনার জন্ম নিবন্ধন সনদের আবেদনটি খুঁজে বের করা যাবে না, তাই জন্ম নিবন্ধন সনদ আবেদন প্রিন্ট কপিতে যেন অবশ্যই থাকে Application ID নামক অংশটি।

জন্ম নিবন্ধন আবেদন প্রিন্ট করার সময়, Print Option থেকে More Settings এ ক্লিক করুন।

এরপর Headers and Footers অপশনে টিক দেয়া না থাকলে টিক দিয়ে প্রিন্ট করুন।

আপনি যখনি জন্ম সনদের জন্য আবেদন করেন না কেন, আবেদন কপির সাথে অবশ্যই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত করে জমা দিবেন।

পরবর্তীতে আপনার আবেদনটি অনুমোদন হয়েছে কিনা তার অবস্থা জানতে জন্ম নিবন্ধন আবেদনের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে যাচাই করতে পারবেন অনলাইন থেকে এই একই ওয়েবপেজ ব্যাবহারে।

নতুন জন্ম নিবন্ধন তৈরি সংক্রান্ত আরো প্রয়োজনীয় তথ্য, পরামর্শ ও টিপস পেতে দেখুন অফিসায়াল সাইটের FAQS পেজ।

আরও পড়ুনঃ

নতুন জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন করতে কি কি লাগে

এতক্ষণ আপনারা নতুন জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন করার নিয়ম সম্পর্কে জেনেছেন। আপনাদের এটাও জানা প্রয়োজন যে নতুন জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন করতে কি কি লাগে।

কেননা সিশুদের ক্ষেত্রে নতুন জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন করার নিয়ম ও প্রাপ্ত বয়স্কদের আবেদনে নিয়মের পার্থক্য রয়েছে।

শিশুর বয়স ০ থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে হলেঃ

  • ইপিআই বা টিকা কার্ড
  • পিতা ও মাতার ডিজিটাল বা অনলাইন জন্ম নিবন্ধন (বাংলা ও ইংরেজি বাধ্যতামূলক) কপি
  • পিতা ও মাতার জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি
  • বাসার হোল্ডিং নম্বর এবং চলমান বছরের হোল্ডিং ট্যাক্সের রশিদ
  • আবেদনকারী পিতা-মাতা/ অভিভাবকের মোবাইল নম্বর

শিশুর বয়স ৪৬ থেকে ৫ বছর হলেঃ

  • ইপিআই বা টিকা কার্ড / স্বাস্থ্য কর্মীর প্রত্যায়নপত্র (স্বাক্ষর ও সীলসহ)
  • পিতা ও মাতার অনলাইন জন্ম নিবন্ধন (বাংলা ও ইংরেজি বাধ্যতামূলক) কপি
  • পিতা ও মাতার জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি
  • প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের প্রত্যয়নপত্র (স্বাক্ষর ও সীলসহ)
  • বাসার হোল্ডিং নম্বর এবং চলমান বছরের হোল্ডিং ট্যাক্সের রশিদ
  • আবেদনকারী পিতা-মাতা/ অভিভাবকের মোবাইল নম্বর
  • নতুন জন্ম নিবন্ধনের আবেদন ফরম জমা দেয়ার সময় ১ কপি রঙ্গিন পাসপোর্ট সাইজের ছবি।

৫ বছরের বেশি শিশু বা ব্যক্তির জন্যঃ

  • বয়স প্রমাণের জন্য চিকিৎসক কর্তৃক প্রত্যয়ন পত্র (বাংলাদেশ মেডিক্যাল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিল কর্তৃক স্বীকৃত এমবিবিএস বা তদূর্ধ্ব ডিগ্রিধারী)
  • সরকার কর্তৃক পরিচালিত প্রথমিক শিক্ষা সমাপনী, জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট বা শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক পরিচালিত মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট
  • পিতা ও মাতার অনলাইন জন্ম নিবন্ধন (বাংলা ও ইংরেজি বাধ্যতামূলক) কপি
  • পিতা ও মাতার জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি
  • অথবা, জন্মস্থান বা স্থায়ী ঠিকানা প্রমাণের জন্য পিতা / মাতা/ পিতামহ / পিতামহীর দ্বারা স্বনামে স্থায়ী ঠিকানা হিসেবে ঘোষিত আবাস স্থলের বিপরীতে হালনাগাদ কর পরিশোধের প্রমানপত্র
  • অথবা, জমি অথবা বাড়ি ক্রয়ের দলিল, খাজনা ও কর পরিশোধ রশিদ। (নদীভাঙ্গন অন্য কোন কারনে স্থায়ী ঠিকানা বিলুপ্ত হলে)

আরও পড়ুনঃ

নতুন জন্ম সনদ সম্পর্কে প্রশ্ন ও উত্তর

নতুন জন্ম নিবন্ধন কোথায় করতে হয়?

বর্তমানে নতুন জন্ম নিবন্ধন করার জন্য ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশন কার্যালয়ে করতে হয়। এছাড়াও অনলাইন নতুন জন্ম নিবন্ধন করার জন্য https://bdris.gov.bd/br/application পাইজে ভিজিট করুন।

শিশুর জন্ম নিবন্ধন কখন করতে হয়?

সাধারণত শিশু জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন করা উত্তম। তবে শিশু জন্মের ৫ বছরের মধ্যেও জন্ম নিবন্ধন করা সুবিধাজনক। ০ থেকে ৫ বছরের বেশি বয়স হলে, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বেশি দিতে হয়, যা অত্যন্ত ঝামেলাপূর্ণ একটি কাজ।

জন্ম নিবন্ধন অনলাইন করার নিয়ম কি?

বর্তমানে তৈরি করা জন্ম নিবন্ধন গুলি অনলাইন হয়ে থাকে। তবে আপনার কাছে যদি হাতে লেখা পুরনো জন্ম নিবন্ধন থাকে তবে তা অনলাইন করার নিয়ম হচ্ছে আপনার এলাকার সরকার নির্ধারিত অফিসে যোগাযোগ করা অথবা https://bdris.gov.bd/br/application সাইটে আবেদন করা।

জন্ম নিবন্ধন যাচাই অনলাইন চেক apps

বর্তমানে জন্ম নিবন্ধন যাচাই অনলাইন চেক করার জন্য আপনাকে একটি অফিশিয়াল ওয়েবসাইট লিংক দেয়া হচ্ছে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে। 

কোন ধরনের অ্যাপ থেকে আপনি জন্ম নিবন্ধন অনলাইন চেক বা যাচাই করতে পারবেন।

জন্ম নিবন্ধন আবেদনের বর্তমান অবস্থা কিভাবে চেক করব

নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদন এর বর্তমান অবস্থান চেক করার জন্য আপনাকে আবেদন করার পর যে Application স্লিপ দেওয়া হয়েছিল ঐ স্লিপ থেকে Application ID নাম্বার ব্যবহার করে জন্ম নিবন্ধনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে স্ট্যাটাস চেক করতে হবে।

জন্ম নিবন্ধন আবেদন ফরম ডাউনলোড pdf কিভাবে পাবো?

নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদন ফরম ডাউনলোড pdf করার জন্য আপনি https://bdris.gov.bd/br/search লিংকে ভিজিট করুন।

জন্ম নিবন্ধন অনলাইন কপি ডাউনলোড করবো কিভাবে?

বর্তমানে জন্ম নিবন্ধন অনলাইন কপি ডাউনলোড করার জন্য আপনি https://bdris.gov.bd/br/search পেজ ভিজিট করুন।

উপসংহার,

আশা করি আপনি অনলাইনে নতুন জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন করার নিয়ম সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। এই সম্পর্কে আরো জানতে আমাদের কমেন্ট করে জানান।  রেগুলার আপডেট পেতে জয়েন করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।