স্থানীয় সরকারের সব প্রতিষ্ঠানের ভবনে সৌর প্যানেল বসানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করেছে।
নির্দেশনা অনুযায়ী, ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ ও সিটি কর্পোরেশনের সব ভবনে সৌর প্যানেল বসাতে হবে।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’
সৌর প্যানেল বসানোর ফলে এসব প্রতিষ্ঠানের বিদ্যুৎ বিল অনেক কমবে। দিনের বেলা সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার করে অফিস পরিচালনা করা যাবে।
প্রাথমিকভাবে সব নতুন ভবনে সৌর প্যানেল বসানো হবে। পুরনো ভবনগুলোতেও ধাপে ধাপে এই ব্যবস্থা চালু করা হবে।
একজন প্রকৌশলী বলেন, ‘সৌর প্যানেল বসালে প্রতি মাসে বিদ্যুৎ বিলের অনেক টাকা সাশ্রয় হবে।’
স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে সৌর প্যানেল স্থাপনে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে। কারিগরি সহায়তা দেবে বিদ্যুৎ বিভাগ।
সৌর প্যানেলের রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রশিক্ষিত জনবল নিয়োগ করা হবে। নিয়মিত পরীক্ষা করে প্যানেলের কার্যকারিতা যাচাই করা হবে।
একটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমাদের ভবনে সৌর প্যানেল বসলে বিদ্যুৎ বিল কমবে। এতে সাশ্রয়ী হয়ে অফিস পরিচালনা করা যাবে।’
সরকারের লক্ষ্য হলো দেশের সব সরকারি প্রতিষ্ঠানে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো। এর ফলে জীবাশ্ম জ্বালানির উপর নির্ভরতা কমবে।
সৌর প্যানেল স্থাপনে সরকারি ভর্তুকি দেওয়া হবে। প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্ধারিত ফরম পূরণ করে আবেদন করতে হবে।
আবেদনের পর যাচাই করে অনুমোদন দেওয়া হবে। অনুমোদন পাওয়ার পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্যানেল বসাতে হবে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সৌরবিদ্যুৎ পরিবেশবান্ধব এবং টেকসই। এই উদ্যোগ সফল হলে দেশে বিদ্যুতের চাহিদা কিছুটা কমবে।
স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে সচেতন করা হবে। সৌর প্যানেলের সুবিধা সম্পর্কে তাদের জানানো হবে।
সরকার জানিয়েছে, ভবিষ্যতে আরও সরকারি প্রতিষ্ঠানে সৌর প্যানেল বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে। আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলোকে আবেদন করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
বর্তমানে দেশে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে সৌর প্যানেল বসানো হয়েছে। এসব প্যানেল থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হচ্ছে।