নতুন বিয়ের আগে আগের বিয়ের তথ্য বাধ্যতামূলক করার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রুল জারি করা হয়েছে। আদালত বলেছেন, প্রতারণামূলক বিয়ে প্রতিরোধে এই তথ্য প্রকাশ করা জরুরি।
বুধবার ১৬ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ এই রুল জারি করেন। বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম এবং বিচারপতি মো. আতাবুল্লাহ এই বেঞ্চে ছিলেন।
আদালত স্বরাষ্ট্র সচিব, আইন সচিব, স্থানীয় সরকার সচিব এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে চার সপ্তাহের মধ্যে জবাব দিতে নির্দেশ দিয়েছেন।
রুলে বলা হয়েছে, বিয়ের আগে পাত্র বা পাত্রীর আগের বিয়ের তথ্য দেওয়া বাধ্যতামূলক করা যায় কিনা তা পরীক্ষা করে দেখতে হবে। পাশাপাশি মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিয়ে করলে তার বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া যায় তাও খতিয়ে দেখতে হবে।
আদালত আরও জানিয়েছেন, এই রুলের বিষয়ে শুনানির জন্য আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্টদের তথ্য দিতে হবে।
আদালত বলেছেন, প্রতারণামূলক বিয়ে সমাজে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আগের বিয়ের তথ্য গোপন করে প্রতারণা করলে তা পরিবারের উপর বড় প্রভাব ফেলে। এই ধরনের প্রতারণা রোধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
একজন আইনজীবী বলেন, আদালতের এই রুল ইতিবাচক উদ্যোগ। এটি বাস্তবায়িত হলে নতুন বিয়েতে আগের বিয়ের তথ্য দেওয়া বাধ্যতামূলক হবে। ফলে প্রতারণামূলক বিয়ে অনেকাংশে বন্ধ হবে।
আদালতের রুলের পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরগুলোকে চার সপ্তাহের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে। জবাব পাওয়ার পর আদালত পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করবেন।
এ বিষয়ে এখনো কোনো পক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে মন্তব্য করেনি। সরকারি কর্তৃপক্ষ বলছে, তারা আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।