প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা হচ্ছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এই উদ্যোগ নিয়েছে।
প্রথম পর্যায়ে বাসভবনের ছাদে সৌর প্যানেল বসানো হবে। এতে দিনের বেলা বিদ্যুতের চাহিদা মেটানো যাবে।
মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে সৌরবিদ্যুৎ তারই অংশ।’
এই প্রকল্পে আধুনিক প্রযুক্তির সৌর প্যানেল ব্যবহার করা হবে। প্যানেলগুলো উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন হবে।
বাসভবনের বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমাণ বিশ্লেষণ করে সৌর প্যানেলের ক্ষমতা নির্ধারণ করা হবে।
সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার সঙ্গে ব্যাটারি ব্যাংকও বসানো হবে। ফলে রাতে বা মেঘলা দিনেও বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে।
একজন প্রকৌশলী বলেন, ‘সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা বসালে বাসভবনের বিদ্যুৎ বিল অনেক কমবে। পাশাপাশি পরিবেশও রক্ষা পাবে।’
এই প্রকল্পের জন্য নির্ধারিত প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তারা প্যানেল সরবরাহ ও স্থাপনের কাজ করবে।
স্থাপনের পর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করা হবে। নির্দিষ্ট সময় পর পর প্যানেল পরীক্ষা করা হবে।
প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন হলে তা দেশের জন্য উদাহরণ হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
সরকারের লক্ষ্য হলো ২০৩০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে ১০ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদন করা।
এ লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে সৌর প্যানেল বসানোর কাজ চলছে।
বিদ্যুৎ বিভাগ জানিয়েছে, ভবিষ্যতে আরও সরকারি ভবনে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা হবে।
এই উদ্যোগ সফল হলে দেশে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।
বর্তমানে দেশে বিভিন্ন সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প চলমান রয়েছে। এসব প্রকল্প থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের কাজ কবে শুরু হবে তা এখনো নিশ্চিত করা হয়নি। তবে শীঘ্রই কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।