দেশে উৎপাদিত সৌরবিদ্যুৎ প্রতি ইউনিট ১০ দশমিক ৫০ টাকা হারে কিনছে সরকার। বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তিতে এই হার নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ও সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর মধ্যে এই চুক্তি সই হয়েছে। চুক্তির আওতায় ২০ বছর ধরে এই হারেই বিদ্যুৎ কেনা হবে।
বিদ্যুৎ বিভাগের একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনে উৎসাহ দিতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’
সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে। এর জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ করতে হবে।
সৌর প্যানেল স্থাপনের জন্য নির্দিষ্ট জমি প্রয়োজন হবে। জমির মালিকানা বা লিজ চুক্তি থাকতে হবে।
প্রকল্প বাস্তবায়নে নির্ধারিত সময়সীমা মেনে চলতে হবে। সময়মতো প্রকল্প শেষ না হলে জরিমানা দিতে হবে।
উৎপাদিত বিদ্যুতের মান নির্ধারিত মাত্রায় থাকতে হবে। নিম্নমানের বিদ্যুৎ সরবরাহ করলে চুক্তি বাতিল হতে পারে।
সৌর প্যানেলের রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে হবে। নির্দিষ্ট সময় পর পর প্যানেল পরীক্ষা করতে হবে।
প্রকল্পের জন্য ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন হতে হবে। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত যন্ত্রাংশ ব্যবহারে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
প্রকল্প পরিচালনার জন্য দক্ষ জনবল নিয়োগ করতে হবে। কর্মীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে।
পরিবেশগত ছাড়পত্র নিতে হবে। প্রকল্প এলাকায় পরিবেশের ক্ষতি না হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।
উৎপাদিত বিদ্যুতের হিসাব সংরক্ষণ করতে হবে। নির্ধারিত সময়ে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডকে হিসাব জমা দিতে হবে।
সরকারের নির্ধারিত নীতিমালা মেনে প্রকল্প পরিচালনা করতে হবে। কোনো নিয়ম ভঙ্গ হলে চুক্তি বাতিল হতে পারে।
এই উদ্যোগ সফল হলে দেশে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়বে। জীবাশ্ম জ্বালানির উপর নির্ভরতা কমবে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সৌরবিদ্যুৎ পরিবেশবান্ধব এবং টেকসই। এই খাতে বিনিয়োগ বাড়লে দেশের বিদ্যুৎ সঙ্কট কমবে।
সরকার জানিয়েছে, ভবিষ্যতে আরও সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলোকে আবেদন করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
বর্তমানে দেশে বিভিন্ন সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প চলমান রয়েছে। এসব প্রকল্প থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে।