দীর্ঘদিন রিচার্জ না করলে বা সিম ব্যবহার না করলে আপনার মোবাইল নম্বরের মালিকানা হারানোর ঝুঁকি রয়েছে। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, একটি সিম টানা ১৫ মাস বা ৪৫০ দিন অব্যবহৃত থাকলে সেটি বন্ধ হিসেবে গণ্য হয়।
তবে মালিকানা সম্পূর্ণ হারানোর আগে গ্রাহককে আরও ৩০ দিনের একটি অতিরিক্ত সময় দেওয়া হয়। অর্থাৎ, মোট ৪৮০ দিনের মধ্যে সিমটি সচল না করলে সংশ্লিষ্ট অপারেটর সেটি নতুন করে অন্য গ্রাহকের কাছে বিক্রি করতে পারে।
সিম কখন বন্ধ হিসেবে ধরা হয়
সিম কখন বন্ধ হবে তা নির্ভর করে সিমটি ফোনে সচল আছে কিনা তার উপর। সিম যদি মোবাইলে সচল থাকে, তবে সেটি ব্যবহার না করলেও অনেক ক্ষেত্রে সক্রিয় হিসেবে ধরা হয়। কিন্তু সিমটি মোবাইল থেকে খুলে রাখা হলে সেটি বন্ধ হিসেবে গণ্য হয়।
এই বন্ধ অবস্থায় টানা ১৫ মাস বা ৪৫০ দিন পার হলে অপারেটর সিমটি রিসাইকেলের প্রক্রিয়া শুরু করে।
অপারেটরভেদে ভিন্নতা
বিটিআরসির সাধারণ নিয়ম থাকলেও কিছু ক্ষেত্রে অপারেটরদের নিজস্ব নীতিও রয়েছে। যেমন রবি ও এয়ারটেলের ক্ষেত্রে ব্যালেন্সের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ১২ মাস নিষ্ক্রিয় থাকলে সিম রিসাইকেল করা হয়।
টেলিটকের ক্ষেত্রেও ১৪ থেকে ১৫ মাস পর সিম রিসাইকেলের নিয়ম কার্যকর রয়েছে।
মালিকানা হারালে কী হয়
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সিম সচল না করলে অপারেটর সেটি নতুন গ্রাহকের কাছে বিক্রি করে দেয়। তখন ওই নম্বরের সাথে যুক্ত আপনার সব তথ্য, ব্যালেন্স এবং সেবার অ্যাক্সেস চলে যাবে।
তাই দীর্ঘদিন ব্যবহার না করলেও মাঝে মাঝে সিমে রিচার্জ করে সেটি সচল রাখা উচিত।
আরও পড়ুনঃ
নিয়মিত টেক নিউজ আপডেট মোবাইলে পেতে জয়েন করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।