আগামী ১ অক্টোবর থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গুলশানের বাসভবনে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার শুরু হবে। স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এই তথ্য জানিয়েছেন।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) এলজিইডি ভবনে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের ওপর আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, শুধু প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন নয়, পর্যায়ক্রমে সচিবালয়, জাতীয় সংসদ ও সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকেও সৌরবিদ্যুতের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
৩ হাজার ৪১৬টি ইউনিয়ন পরিষদে সৌর প্যানেল
দেশের ৩ হাজার ৪১৬টি ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ভবনে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রতিটি কমপ্লেক্সে ৫ দশমিক ৫ কিলোওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনের জন্য মোট ১১৯ কোটি ৫৬ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্সের জন্য ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা করে ছাড় দেওয়া হয়েছে।
অতিরিক্ত বিদ্যুৎ গ্রিডে দিলে প্রতি ইউনিটে ১০ টাকা ৫০ পয়সা
সৌর প্যানেলের মাধ্যমে নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করলে প্রতি ইউনিটের জন্য ১০ টাকা ৫০ পয়সা করে সরকার অর্থ দেবে।
এ জন্য নেট মিটারিং ব্যবস্থা চালু করা হবে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, উপজেলা পরিষদ, হাটবাজার ও স্থানীয় সরকারের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে পর্যায়ক্রমে সোলার প্যানেল স্থাপন করা হবে।
৬ মাসের মধ্যে বাস্তবায়নের নির্দেশ
আগামী ছয় মাসের মধ্যে সৌর প্যানেলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে নিজস্ব চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি নেট মিটারিংয়ের মাধ্যমে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের সুযোগ সম্প্রসারিত করা হবে।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান বলেন, দেশে সম্পদের পরিমাণ সীমিত, সে পরিসরেই কাজ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী যে পরিকল্পনার নেতৃত্ব দিচ্ছেন তা ২০ বছর পর জনগণ ঠিকই উপকৃত হবে।
সভায় পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান, স্থানীয় সরকার বিভাগ সচিব মো. শহীদুল হাসান, এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী মো. বেলাল হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।