২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার তারিখ প্রাথমিকভাবে চূড়ান্ত করা হয়েছে। স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের এক সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সূত্র অনুযায়ী, আগামী ১০ অক্টোবর শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। তবে চূড়ান্ত তারিখ ঘোষণা করা হয়নি।
স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘তারিখ প্রাথমিকভাবে ঠিক করা হয়েছে। আনুষ্ঠানিক ঘোষণা শীঘ্রই দেওয়া হবে।’
এ বছর মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় আবেদনের শেষ তারিখ ২৫ সেপ্টেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। আবেদন করা যাবে অনলাইনে।
পরীক্ষার জন্য প্রার্থীদের ন্যূনতম যোগ্যতা হলো এসএসসি ও এইচএসসি উভয় পরীক্ষায় মোট জিপিএ ৯ থাকতে হবে। জীববিজ্ঞানে পৃথকভাবে ন্যূনতম গ্রেড পয়েন্ট ৩ দশমিক ৫ থাকতে হবে।
পরীক্ষায় ১০০টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন থাকবে। প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য শূন্য দশমিক ২৫ নম্বর কাটা যাবে। মোট ২০০ নম্বরের পরীক্ষা হবে।
প্রশ্নপত্রে জীববিজ্ঞান, রসায়ন, পদার্থবিজ্ঞান এবং সাধারণ জ্ঞান ও ইংরেজি বিষয় থেকে প্রশ্ন আসবে। জীববিজ্ঞানে ৩০টি, রসায়নে ২৫টি, পদার্থবিজ্ঞানে ২০টি এবং সাধারণ জ্ঞান ও ইংরেজিতে ২৫টি প্রশ্ন থাকবে।
পরীক্ষার সময় ১ ঘণ্টা। পরীক্ষা দেশের আটটি বিভাগীয় শহরে অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকায় পরীক্ষা কেন্দ্রের তালিকা পরে ঘোষণা করা হবে।
ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে প্রার্থীদের প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে হবে। প্রবেশপত্র প্রকাশের তারিখ পরে জানানো হবে।
স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর বলছে, সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। প্রশ্নপত্র তৈরি ও কেন্দ্র নির্ধারণের কাজ চলছে।
প্রার্থীদের পরীক্ষার আগে সব নির্দেশনা ভালোভাবে পড়ে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। কোনো ধরনের অনিয়ম হলে প্রার্থীর পরীক্ষা বাতিল করা হবে।
গত বছর মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় ১ লাখ ২০ হাজারের বেশি প্রার্থী অংশ নেয়। এ বছর সেই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সরকারি মেডিকেল কলেজে মোট আসন সংখ্যা ৫ হাজার ৩৮০টি। বেসরকারি মেডিকেল কলেজে আসন সংখ্যা প্রায় ১০ হাজার।
স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, পরীক্ষার তারিখ নিয়ে কোনো পরিবর্তন হলে তা ওয়েবসাইটে জানানো হবে। প্রার্থীদের নিয়মিত ওয়েবসাইটে চোখ রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
ফলাফল প্রকাশের তারিখও পরে ঘোষণা করা হবে। ভর্তির সব প্রক্রিয়া অনলাইনে সম্পন্ন হবে।
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে প্রস্তুতি নিচ্ছেন হাজারো শিক্ষার্থী। তাদের অনেকেই কোচিং ও অনলাইন ক্লাস করছেন।
স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে সব ধরনের তথ্য প্রকাশ করা হবে। প্রার্থীরা সেখান থেকেই নির্দেশনা পাবেন।
আনুষ্ঠানিক তারিখ ঘোষণা হলে প্রার্থীদের অবহিত করা হবে। ততদিন পর্যন্ত প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।